
সমন্বিত সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে
গোলটেবিল বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন পাঁচটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বায়ুদূষণের উৎস ধরে ধরে মোকাবিলা বা সমাধানের পথ দেখতে হবে; বায়ুদূষণকে আন্তসীমান্ত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমাধানের দিকে যেতে হবে; জনস্বাস্থ্যের কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে বিবেচনা করতে হবে; বায়ুদূষণের অর্থনৈতিক ক্ষতির মূল্যায়ন জরুরি এবং এ দূষণকে সমন্বিত সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
বায়ুদূষণকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, দেশের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বড় বাধা বায়ুদূষণ। গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, দূষণের জন্য নির্মাণকাজ ও রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ৩০ শতাংশ, ইটভাটা ও শিল্পকারখানা ২৯ শতাংশ, যানবাহন ১৫ শতাংশ, আন্তদেশীয় দূষণ সাড়ে ৯ শতাংশ, গৃহস্থালি চুলার ধোঁয়া সাড়ে ৮ শতাংশ এবং বর্জ্য পোড়ানো ৮ শতাংশ দায়ী। এসব ক্ষেত্রে কার কী দায়িত্ব এবং কে কতটুকু তা পালন করছে, তারও বর্ণনা দেন আলমগীর কবির।
এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা বলেন, বায়ুদূষণকে স্বাস্থ্যনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। বায়ুদূষণ সমস্যাকে নিয়মিত গণমাধ্যমে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বায়ুদূষণ প্রতিরোধে ব্যক্তিরও দায়িত্ব আছে। সরকার একা বায়ুদূষণ প্রতিরোধ করতে পারবে না।