• বুধ. সেপ্টে. 30th, 2026

৫ বছর ৯ মাসে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু ৩০০ কারাবন্দীর

Bytrendnews

সেপ্টে. 30, 2026


বন্দী কেন বেড়েছে

কারাগারে নানা অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের রাখা হয়। আবার মামলা চলা অবস্থায় জামিন না পাওয়া আসামিরাও বন্দী থাকেন। দেশে ৭৫টি কারাগার আছে। এর মধ্যে ১৫টি কেন্দ্রীয় কারাগার, ৬০টি জেলা কারাগার।

কারা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে তাদের ‘মিশন’ হিসেবে লেখা রয়েছে পাঁচটি বিষয়। সেগুলো হলো বন্দীদের নিরাপদ আটক নিশ্চিত করা; কারাগারের কঠোর নিরাপত্তা ও বন্দীদের মাঝে শৃঙ্খলা বজায় রাখা; বন্দীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা, যথাযথভাবে তাদের বাসস্থান, খাদ্য, চিকিৎসা এবং আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশ্চিত করা এবং একজন সুনাগরিক হিসেবে সমাজে পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় মোটিভেশন (উৎসাহ) ও প্রশিক্ষণ দেওয়া।

প্রশ্ন হলো, একজনের জায়গায় আড়াইজনের কাছাকাছি বন্দী রেখে যথাযথভাবে বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিৎসা–সুবিধা দেওয়া সম্ভব কি না।

কারাগারগুলোতে বছরওয়ারি কত বন্দী ছিলেন, তার একটি হিসাব পাওয়া যায় ওয়ার্ল্ড প্রিজন ব্রিফ নামের একটি ওয়েবসাইটে। সেখানে প্রতি দুই বছর অন্তর বন্দীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়েবসাইটে দেখা যায়, ২০১৪ সালে কারাগারে বন্দী ছিলেন ৬৫ হাজার ৬৬২ জন। এর পর থেকে তা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০২০ সালে বন্দী ছিলেন ৮৮ হাজারের মতো।

ওয়েবসাইটটিতে ২০০০ সাল থেকে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, বন্দীর সংখ্যা কখনো লাখ ছাড়ায়নি। অবশ্য চলতি মাস সেপ্টেম্বরের হিসাবে বন্দী ১ লাখ ২ হাজারের কিছু বেশি। কারা অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাবে যা আরও ৪ হাজার বেড়েছে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর বন্দীর সংখ্যা ছিল ৭৮ হাজার।

কারা সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্রেপ্তার বেশি হচ্ছে। মাদক মামলা, ছিনতাই, সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার হচ্ছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক মামলায়ও অনেককে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আগে বন্দী থাকা অনেকে দিনের পর দিন জামিন পাচ্ছেন না। এতে কারাগারে বন্দী বাড়ছে।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।