
চার্লসের সঙ্গে ক্যামিলার বিয়ের আগেও দুই ভাই বাবাকে তাঁকে বিয়ে না করার অনুরোধ করেছিলেন বলে হ্যারি লিখেছেন। তাঁর বর্ণনায়, ক্যামিলাকে নিয়ে তাঁদের আশঙ্কা ছিল। পরে ক্যামিলার বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ তোলেন হ্যারি। তাঁর দাবি, নিজের ভাবমূর্তি ভালো করার জন্য ক্যামিলা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। রাজপরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য সংবাদমাধ্যমে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল।
বইটিতে হ্যারি তাঁর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের ভাঙনকে শুধু একটি ঘটনার ফল হিসেবে দেখাননি। তাঁর বর্ণনায়, শৈশবের ‘স্পেয়ার’ পরিচয়, মায়ের মৃত্যু, ভাইয়ের সঙ্গে দূরত্ব, মেগানকে ঘিরে বিরোধ, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে রাজপরিবারের সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ—সবকিছু মিলেই একসময় তিনি রাজপরিবারের কর্মরত সদস্যের জীবন থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
হ্যারির অভিযোগের জবাবে উইলিয়াম প্রকাশ্যে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য দেননি। স্পেয়ার প্রকাশের পর কেনসিংটন প্যালেসও তাঁর অভিযোগ নিয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকে। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে সাংবাদিকেরা উইলিয়ামকে বইটি নিয়ে প্রশ্ন করলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।