
গাদ্দাফির শেষ সময়
সিরতে শহরে গাদ্দাফির অনুগত বাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তুললেও একপর্যায়ে বিদ্রোহীরা শহরটি ঘিরে ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে ২০ অক্টোবর ভোরে গাদ্দাফি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা গাড়ির একটি বহর নিয়ে সিরতে থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ন্যাটোর বিমান গাড়ি বহরটিতে হামলা চালায়। এতে গাড়িগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। বহরের বহু সদস্য নিহত হন। গাদ্দাফি ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গী বেঁচে যান। চেষ্টা করেন পালানোর।
শেষ পর্যন্ত রাস্তার পাশের একটি নর্দমার পাইপে লুকান গাদ্দাফি। বিদ্রোহী যোদ্ধারা ওই এলাকা ঘিরে ফেলেন। পাইপের ভেতর থেকে তাঁকে টেনে বের করা হয়। তখন তিনি ছিলেন আহত। চারপাশে ছিল উত্তেজিত যোদ্ধাদের ভিড়। তাঁর আটকের ভিডিও পরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে দেখা যায়, আহত গাদ্দাফিকে ঘিরে রেখেছেন বিদ্রোহীরা। কেউ তাঁকে টানছেন, কেউ ধাক্কা দিচ্ছেন, কেউ আবার মুঠোফোনে পুরো ঘটনা ধারণ করছেন।
ঠিক এরপর কী হয়েছিল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। গাদ্দাফি কি বন্দী হওয়ার পর নিহত হয়েছিলেন, নাকি গোলাগুলির মধ্যে প্রাণ হারিয়েছিলেন? এনটিসির প্রধান মাহমুদ জিবরিল তখন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিদ্রোহী ও গাদ্দাফি বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গাদ্দাফি নিহত হন।