
কিন্তু এখন পরিস্থিতি ঠিক উল্টো। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হতে এখনো ছয় মাস বাকি। কিন্তু এ সময়ে কার্যত তিনি একজন ক্ষমতাহীন প্রেসিডেন্টে পরিণত হয়েছেন।
মাখোঁর নেতৃত্বে ফ্রান্স রাজনৈতিক অচলাবস্থায় আটকে আছে, তীব্র আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে এবং এমন এক অস্থিরতা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সীমাবদ্ধতাও সামনে নিয়ে এসেছে।
২০১৮-১৯ সালের ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের সময় জনরোষ প্রশমিত করতে মাখোঁ করছাড়, ভর্তুকিসহ শতকোটি ইউরোর আর্থিক ছাড় দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার সেই সুযোগ খুবই সীমিত।