• রবি. অক্টো. 4th, 2026

রোহিঙ্গা শিবিরে প্রকৌশলীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত দাবি

Bytrendnews

অক্টো. 4, 2026


উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে সংস্কারকাজ পরিদর্শনের সময় প্রকৌশলী ফারহানা হকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ৮৮ নম্বর ব্যাচের শিক্ষার্থীরা।

রোববার ঢাকার বনানীতে বুয়েট গ্র্যাজুয়েট ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি তোলেন তারা।

‘বুয়েট ব্যাচ-৮৮ স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ ব্যানারে হওয়া এ সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ফারহানার বাবা স্থানীয় সরকআর প্রকৌশল অধিদপ্তরের গ্রাম সড়ক পুর্নবাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এ কে ফজলুল হক।

তিনি মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে বলেন, “আমার দুই বছরের নাতি যেন বড় হয়ে জানতে পারে, তার মা কীভাবে মারা গেছেন।”

তিনি আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণ সম্পর্কে এক প্রশ্নর জবাবে বলেন, “পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নিইনি। তবে ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধান বা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।”

আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করেন ফারহানা। এরপর মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে স্নাতকোত্তর করেন তিনি।

গত ৬ অগাস্ট তৃতীয় পক্ষের বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) প্রতিষ্ঠান এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের মাধ্যমে আইওএমের কক্সবাজার অবকাঠামো ইউনিটে সিনিয়র ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন ফারহানা।

চাকরির ১৮ দিনের মাথায় ২৪ অগাস্ট উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৩ এ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের সংস্কারকাজ পরিদর্শনের সময় দুর্ঘটনায় পড়ে মারা যান তিনি।

সেসময় উখিয়া থানা পুলিশ প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে জানায়, একটি অরক্ষিত শ্যালো ইঞ্জিনের জেনারেটরের সঙ্গে ওড়না ও চুল পেঁচিয়ে গেলে ফারহানা আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

স্থনীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে সচিবের কাছে তদন্তের আবেদন জানানোর কথা তুলে ধরে ফজলুল হক বলেন, “আমি বর্তমানে এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মরত আছি। আমি ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ফারহানার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ক্ষতিপূরণ চেয়েছি।”

আবেদনটি বর্তমানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কিন্ত এখনও কোনো অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ ফজলুল হকের।

সংবাদ সম্মেলনে রাসায়নিক ও পেশাগত নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া বলেন, “কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নয়; এটি কর্মীর মৌলিক অধিকার এবং নিয়োগকর্তার আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব।”



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।