• বুধ. সেপ্টে. 30th, 2026

নিজের নীতি ভেঙে ১৯ বাংলাদেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফেইসবুক পেইজে আয় সুবিধা মেটার

Bytrendnews

সেপ্টে. 30, 2026


ফেইসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার নিজস্ব নীতি অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার পেইজ থেকে আয় করতে মনিটাইজেশনের জন্য বিবেচিত হওয়ার কথা নয়। অথচ বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ১৯টি ফেইসবুক পেইজকে প্রযুক্তি জায়ান্টটি তাদের কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত করেছে।

তথ্য যাচাই ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব পেইজের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজ রয়েছে। এছাড়া অন্তত ১৪টি জেলা পুলিশ কার্যালয়ের ফেইসবুক পেইজও রয়েছে তালিকায়।

এসব পেইজের লিংক দেশের বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। অধিকাংশ পেইজে অ্যাকাউন্টের শ্রেণি হিসেবে ‘সরকারি সংস্থা’, ‘পুলিশ স্টেশন’ অথবা ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। এরপরও মেটা এসব পেইজকে কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

মেটার পার্টনার-পাবলিশার তালিকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মনিটাইজেশন নীতি ও স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করা নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘হোয়াট টু ফিক্স’ এর সংরক্ষিত মনিটাইজেশন আর্কাইভ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়ার কথা বলেছে ডিসমিসল্যাব।

এসব পেইজের মধ্যে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি পেইজ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা যার নাম প্রকাশ করে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নেই তিনি ডিসমিসল্যাবকে বলেন, আয় হলেও তারা অর্থ তুলতে পারেননি। মেটা থেকে অর্থ তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পেমেন্ট গেটওয়ে বা অর্থ গ্রহণের গেটওয়ে সক্রিয় করা হয়নি।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালে তাদের পেইজে প্রায় ১০ ডলার আয় হয়েছিল। সেই অর্থ এখনও ফেসবুকেই রয়েছে।

এক পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, মেটা থেকে আয় করা অর্থ তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পেমেন্ট গেটওয়ে সক্রিয় করা হয়নি।

২০২০ সাল থেকেই আয় করার সুযোগ

বাংলাদেশের কয়েকটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফেইসবুক পেইজ অন্তত ২০২০ সাল থেকে মেটার বিভিন্ন মনিটাইজেশন কর্মসূচির আওতায় ছিল।

ডিসমিসল্যাব দুটি পেইজের সন্ধান পেয়েছে, যেগুলো ওই বছর মেটার ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন সময়ে আরও ১৭টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফেইসবুক পেইজ মেটার মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের অগাস্টেও একটি পেইজকে প্রথমবারের মতো মেটার কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হতে দেখা গেছে।

এটি মেটার মনিটাইজেশন নিয়ে ডিসমিসল্যাবের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্ব। ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত প্রথম প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, নির্বাচিত প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মনিটাইজেশনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকলেও বাংলাদেশের অন্তত ১৩ জন সংসদ সদস্যের ভেরিফায়েড ফেইসবুক অ্যাকাউন্টকে মেটার কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে তিনজন ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য।

ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন থেকে নতুন মনিটাইজেশন কর্মসূচি

মেটার কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফেইসবুক পেইজগুলোর মধ্যে জাতীয় পর্যায়ের সংস্থা, জেলা পুলিশ কার্যালয় ও বিশেষায়িত ইউনিট রয়েছে।

তালিকায় বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ, ডিআইজি-রংপুর রেঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা পুলিশ কার্যালয়ের ফেইসবুক পেইজ রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এসব পেইজের মধ্যে মনিটাইজেশনের সবচেয়ে পুরোনো রেকর্ড পাওয়া যায় ২০২০ সালের ৬ জুনের। ওইদিন শেরপুর জেলা পুলিশ ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজ ফেইসবুকের ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।

পুলিশের মূল ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজ প্রথম কোনো মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয় ২০২২ সালের মার্চে। কয়েকটি জেলা পুলিশ কার্যালয়ের ফেইসবুক পেইজ ২০২৩ সালে ওই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।

২০২৫ সালের ৩১ অগাস্ট মেটা তাদের পুরোনো ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন, রিলসে বিজ্ঞাপন এবং পারফরম্যান্স বোনাস কর্মসূচি বন্ধ করে সেগুলোকে নতুন কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচির আওতায় আনে। নতুন এই কর্মসূচিতে শুধু ভিডিও নয়, ছবি ও টেক্সট পোস্ট থেকেও আয় করার সুযোগ রাখা হয়।

‘হোয়াট টু ফিক্স’ এর মনিটাইজেশন আর্কাইভের তথ্য বিশ্লেষণ করে ডিসমিসল্যাব দেখতে পায়, ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১১টি ফেইসবুক পেইজ একসঙ্গে মেটার নতুন কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের মূল ভেরিফায়েড পেইজটিও এতে যুক্ত হয়।

এছাড়া ২০২৫ ও ২০২৬ সালে সাতটি ফেইসবুক পেইজ সরাসরি মেটার নতুন কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। এর মধ্যে সর্বশেষ নড়াইল জেলা পুলিশের ফেইসবুক পেইজটি চলতি বছরের ২২ অগাস্ট যুক্ত হয়।

শুধু মেটার আমন্ত্রণেই মনিটাইজেশন

ফেইসবুকের কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দিয়ে মেটা তাদের একটি সহায়তা পেইজে জানিয়েছিল, এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ তখন শুধু আমন্ত্রণের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে।

মেটার ভাষ্য অনুযায়ী, ফেইসবুক অ্যাপ, ই-মেইল, মেটা বিজনেস স্যুট ও প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ডসহ মেটা বা ফেইসবুকের আনুষ্ঠানিক ইন-প্রোডাক্ট চ্যানেলের মাধ্যমে নির্মাতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

যারা আমন্ত্রণ পাননি, তারাও কর্মসূচিতে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করতে পারেন। তবে আগ্রহ প্রকাশ করলেই আমন্ত্রণ পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।

অর্থাৎ বাংলাদেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ১৯টি ফেইসবুক পেইজ কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে, সেগুলোও মেটার আমন্ত্রণের মাধ্যমেই এতে যোগ দিয়েছে।

অথচ মেটার পার্টনার-পাবলিশার নীতিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলো মনিটাইজেশনের জন্য বিবেচিত হবে না।

ডিসমিসল্যাবের তালিকায় থাকা ১৯টি পেইজের মধ্যে মাত্র দুটি নিজেদের ক্যাটাগরি হিসেবে ‘পাবলিক ফিগার’ ও ‘ডিজিটাল ক্রিয়েটর’ হিসেবে দাবি করেছে। বাকি ১৭টি পেইজের ক্যাটাগরি হিসেবে ‘পুলিশ স্টেশন’, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা’, ‘সরকারি সংস্থা’, ‘সরকারি কর্মকর্তা’ অথবা ‘সশস্ত্র বাহিনী’ উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ এসব পেইজ নিজেদের সরকারি প্রতিষ্ঠান বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অংশ হিসেবে স্পষ্টভাবে পরিচয় দিলেও মেটা সেগুলোকে কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

বন্ধ হয়েছে, আবার চালুও হয়েছে মনিটাইজেশন

বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে ২৭ লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে। ২০২২ সালের মার্চ থেকে পেইজটি মেটার তিনটি ভিন্ন মনিটাইজেশন কর্মসূচির আওতায় ছিল।

তবে ‘হোয়াট টু ফিক্স’ এর মনিটাইজেশন আর্কাইভ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের এই পেইজকে মনিটাইজেশন কর্মসূচি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলেও পরে আবার যুক্ত করা হয়েছে।

২০২২ সালের ২০ মার্চ পেইজটি প্রথম মেটার ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। মাত্র ১০ দিন পর ১ এপ্রিল, সেটি কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর পেইজটি আরও চারবার ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যুক্ত হয় এবং প্রতিবারই অল্প সময়ের মধ্যে বাদ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই পেইজটি আবার ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। সেই সুযোগ ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সক্রিয় ছিল।

এরপর ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পেইজটি মেটার নতুন কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয় এবং এরপর থেকে সেটি ওই কর্মসূচির অংশ রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ফেইসবুক পেইজেও একই ধরনের চিত্র দেখা যায়। ২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল পেইজটি মেটার ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সেটিকে কর্মসূচি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই পেইজটি আবার একই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।

২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি মেটার নতুন কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয় এবং ওই বছরের ২০ অক্টোবর আবার সরিয়ে দেওয়া হয়।

পেইজটি পরিচালনাকারী এক পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেন, “২০২২ বা ২০২৩ সালের দিকে মনিটাইজেশন হয়েছিল, পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।”

তার দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে পেইজটির কোনো মনিটাইজেশন নেই।

তবে মেটার পার্টনার-পাবলিশার তালিকা ও ‘হোয়াট টু ফিক্স’ এর মনিটাইজেশন আর্কাইভে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। ওই তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৮ নভেম্বর পেইজটি আবার কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয় এবং এখনও সক্রিয় রয়েছে।

কুমিল্লা জেলা পুলিশের ফেইসবুক পেইজটি ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট ‘অ্যাডস অন রিলস’ ও ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। একদিন পর ‘অ্যাডস অন রিলস’ কর্মসূচি স্থগিত হলেও ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন কর্মসূচি চালু ছিল।

এরপর ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর পেইজটি কনটেন্ট মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয় এবং এখনও সেটির অংশ রয়েছে।

বিদেশশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পেইজে মনিটাইজেশন

‘হোয়াট টু ফিক্স’ এর তথ্য বলছে, বাংলাদেশের বাইরেও বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফেইসবুক পেইজ মেটার মনিটাইজেশন কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে ভারত, ফিলিপাইন, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পেইজও রয়েছে।

ডিসমিসল্যাবের এ বিশ্লেষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফেইসবুক পেইজ মনিটাইজেশনের ফলে তাদের যোগাযোগের ধরন কীভাবে বদলাতে পারে, সেই প্রশ্নও উঠে এসেছে।

এতে বলা হয়, পুলিশ ও সামরিক ইউনিটের দায়িত্ব জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন প্রয়োগ করা- ক্লিক পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতা করা নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনিটাইজেশনের মাধ্যমে সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে আর্থিক প্রণোদনা যুক্ত হলে মানুষের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার চেয়ে আর্থিক লাভকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এই নীতি লঙ্ঘনের বিষয়ে মন্তব্য জানতে ডিসমিসল্যাব মেটার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। মেটার কাছ থেকে কোনো জবাব পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করেছে ডিসমিসল্যাব

ডিসমিসল্যাব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরকারি ওয়েবসাইট, যেগুলোর ডোমেইন .gov.bd থেকে ফেইসবুক পেইজ লিংক সংগ্রহ করে। কোনো পেইজ ভেরিফায়েড কি না, তা এই প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করা হয়নি। সরকারি ওয়েবসাইটে থাকা সব ফেইসবুক পেইজের লিংক তালিকায় যুক্ত করা হয়।

যেসব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মূল সরকারি ওয়েবসাইটে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের আলাদা ওয়েবপেইজ রয়েছে, সেসব ওয়েবপেজে পাওয়া ফেইসবুক পেইজের লিংকও তালিকায় যুক্ত করা হয়।

এসব পেইজ মেটার মনিটাইজেশন কর্মসূচির অংশ কি না, তা যাচাই করতে ডিসমিসল্যাব মেটার পার্টনার-পাবলিশার তালিকা পর্যালোচনা করেছে। পাশাপাশি প্রতিটি পেইজ কখন মেটার কোনো মনিটাইজেশন কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে, তা জানতে ‘হোয়াট টু ফিক্স’-এর মনিটাইজেশন আর্কাইভও পরীক্ষা করা হয়েছে।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।