
উত্তর কোরিয়ার ৭৮ বছরের ইতিহাস থেকে শাসনব্যবস্থাটি টিকে থাকার কয়েকটি কারণ স্পষ্ট হয়।
প্রথমত, কিম পরিবারের নেতৃত্বকে রাষ্ট্রের ইতিহাস ও পরিচয়ের সঙ্গে এক করে দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, দল, সরকার, সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থাকে একই নেতৃত্বের অধীন রাখা হয়েছে।
তৃতীয়ত, তথ্যের প্রবাহ ও সাধারণ মানুষের চলাচলের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হয়েছে। চতুর্থত, পারমাণবিক অস্ত্রকে বাইরের সামরিক হস্তক্ষেপ ঠেকানোর প্রধান উপায় হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী কখনো সোভিয়েত ইউনিয়ন, কখনো চীন এবং এখন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাচ্ছে পিয়ংইয়ং।
তিন প্রজন্মে উত্তর কোরিয়ার চারপাশের বিশ্ব অনেক বদলেছে। কিন্তু কিম পরিবারের শাসনের মূলভিত্তি—কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা, সামরিক শক্তি, কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও শক্তিশালী প্রতিবেশীর সহায়তা রয়েছে এখনো অটুট। প্রতিষ্ঠার ৭৮ বছর পরও উত্তর কোরিয়ার টিকে থাকার মূল ব্যাখ্যা সম্ভবত এখানেই।
{তথ্যসূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা, ৩৮ নর্থ ও ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি}