
সামান্থা জর্জও উল্লেখ করলেন ‘শিকাগো’, ‘অ্যামেলিয়া’, ‘নাইটমেয়ার অ্যালি’, ‘রেডি অর নট’ ও ‘প্রিসিলা’র কথা। তিনি জানান, প্রতিটি প্রযোজনা পার্কউডের বিভিন্ন অংশকে ভিন্ন ভিন্ন সময় ও স্থানের আদলে ব্যবহার করেছে।
পার্কউডের আনুষ্ঠানিক তালিকায় আরও আছে ‘দ্য টাক্সেডো’, ‘আন্ডারকভার ব্রাদার’, ‘চার্লি বার্টলেট’, ‘হলিউডল্যান্ড’সহ বহু সিনেমা।
ছোট পর্দা ও স্ট্রিমিংয়ের তালিকাও কম আকর্ষণীয় নয়। ‘দ্য বয়েজ’, ‘দ্য আমব্রেলা একাডেমি’, ‘দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল’, ‘হ্যানিবল’, ‘স্টার ট্রেক: স্ট্রেঞ্জ নিউ ওয়ার্ল্ডস’, ‘মারডক মিস্ট্রিজ’, ‘অ্যান উইথ অ্যান ই’, ‘মিসেস আমেরিকা’, ‘দ্য এক্সপ্যান্স’, ‘নিকিতা’, ‘শ্যাডোহান্টার্স’, ‘ওয়ার্কিন মমস’—পার্কউডের আনুষ্ঠানিক তালিকায় এমন বহু পরিচিত নাম রয়েছে।
জ্যাকব এলর্ডির জন্য সরাতে হলো ঝাড়বাতি
তারকাদের নিয়ে স্মৃতি জানতে চাইলে সামান্থা নির্দিষ্ট তারকা বা প্রযোজনার অপ্রকাশিত তথ্য নিয়ে কথা বলতে চাইলেন না। কারণ, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পার্কউডের গোপনীয়তার চুক্তি থাকে। তবে শুটিং ঘিরে এমন কিছু গল্প বললেন, যা তারকাদের নামের চেয়েও কম আকর্ষণীয় নয়।
যেমন ‘প্রিসিলা’র শুটিং। সোফিয়া কপোলা পরিচালিত সিনেমাটিতে এলভিস প্রিসলির চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যাকব এলর্ডি। সামান্থা জানান, পার্কউডের ডাইনিং রুমকে সিনেমায় জার্মানির একটি বসার ঘর হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ঘরের প্রায় চার ফুট দীর্ঘ মুরানো ঝাড়বাতি। প্রায় ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার জ্যাকব এলর্ডি এবং দৃশ্যসজ্জার পরিকল্পনার কারণে ঝাড়বাতিটি সরানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
চাইলেই অবশ্য পার্কউডের কোনো ঐতিহাসিক অনুষঙ্গ খুলে ফেলা যায় না। সামান্থা বলেন, তাঁদের নীতি হলো, শুধু শুটিংয়ের সুবিধার জন্য স্থাপত্যের কোনো অংশ বা আলোকসজ্জার সরঞ্জাম সরানো হয় না। সংরক্ষণ বা সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেই কেবল সেটি করা যায়।