
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় এইডস ও এসটিডি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশে ১ হাজার ৮৯১ জন নতুন করে এইচআইভিতে সংক্রমিত হয়েছেন। এটি দেশে এক বছরে নতুন এইচআইভি সংক্রমণের সর্বোচ্চ সংখ্যা। একই সময়ে এইডসে মারা গেছেন ২১৯ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, দেশে বর্তমানে এইচআইভিতে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার ৭০০। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসাধীন ৯ হাজার ৪০০ এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তিকে এক বছর ধরে মাসে ৮২০ টাকা করে পুষ্টিসহায়তা দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গত বছর দেশের ৬৪ জেলাতেই নতুন এইচআইভি সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে মুন্সিগঞ্জে। এরপর রয়েছে ফেনী, নড়াইল, নওগাঁ ও মাদারীপুর।
জনস্বাস্থ্যবিদ, চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অসচেতনতা, যৌনতা নিয়ে ভুল ধারণা এবং সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকার কারণে তরুণদের মধ্যে এইচআইভির সংক্রমণ বাড়ছে। অবিবাহিত কিশোর ও তরুণদের মধ্যেও এইচআইভি শনাক্তের হার বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এইডস) মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে ২৩ জেলায় এইচআইভি পরীক্ষার সেবা রয়েছে। নতুন শনাক্তের প্রবণতা বাড়ায় পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণে প্রতিটি জেলা সরকারি হাসপাতালে এইচআইভি পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় সব জেলা হাসপাতালে এইচআইভির ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।