• মঙ্গল. সেপ্টে. 15th, 2026

গাড়ি ব্যবহারে অনিয়মে জড়িত এই আমলারা, জানতে চাইলে জবাব, ‘আমি একা করি নাকি’

Bytrendnews

সেপ্টে. 15, 2026


এলজিইডি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সরকারের নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর আবদুল মঈন খানকে একটি গাড়ি দিতে চেয়েছিল সংস্থাটি। তবে মঈন খান তা নেননি। তিনি সরকারের পরিবহন পুলের গাড়ি ব্যবহার করেন। স্থানীয় সরকারের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও এলজিইডির প্রকল্পের গাড়ি নেননি।

অবশ্য প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) মো. তাসনিমুজ্জামান ও সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) তৌহিদুল ইসলাম এলজিইডির গাড়ি নিয়েছেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সচিবের একান্ত সচিব জিসান বিন মাজেদ, অতিরিক্ত সচিব আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সচিব পরিমল সরকার, খলিলুর রহমান, আবু রাফা মোহাম্মদ আরিফ ও কাজী আনোয়ার ইমাম, উপসচিব সুলতানা আক্তার, আশফিকুন নাহার, তৌকির হোসাইন, হেলেনা পারভিন, রবিউল ইসলাম (পরে যুগ্ম সচিব হয়েছেন), আরিফুল ইসলাম ও জিয়াউর রহমান এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী সহকারী সচিব জেসমিন প্রধান ব্যবহার করেন এলজিইডির গাড়ি।

এলজিইডি সূত্র বলছে, ৫৯টি গাড়ির সব কটিই প্রকল্পের। এলজিইডির প্রকল্পের গাড়ি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।

বিনা সুদে গাড়ি নেওয়ার পর আরেকটি গাড়ি কেন ব্যবহার করতে হচ্ছে—এমন প্রশ্নে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, শুধু স্থানীয় সরকার বিভাগ নয়, অন্যরাও (মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা) গাড়ি ব্যবহার করেন। তাঁকে যে গাড়ি দেওয়া হয়েছে, সেটা ফিক্সড (নির্ধারিত) নয়। মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন। বিনা সুদে যে গাড়ি নিয়েছেন, সেটি তিনি নিজে মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন, পরিবারের সদস্যরাও ব্যবহার করেন।

এলজিইডির গাড়ি ব্যবহার করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খানও। তিনিও বিনা সুদে সরকারি ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনেছেন, মাসে মাসে রক্ষণাবেক্ষণ ভাতাও নিচ্ছেন। একই সঙ্গে দুটি গাড়ি ব্যবহার প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।