
লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর মধ্যে চারটি রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক—জনতা, অগ্রণী, রূপালী ও বেসিক (রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক মোট ছয়টি)। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংক—বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। একটি বিদেশি ব্যাংকও লোকসানে আছে। সেটি হলো ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
লোকসানে থাকা অন্য ১৫টি ব্যাংক বেসরকারি। সেগুলো হলো এবি, বাংলাদেশ কমার্স, এক্সিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, আইসিবি ইসলামিক, আইএফআইসি, ইসলামী, মেঘনা, ন্যাশনাল, গ্লোবাল ইসলামী, পদ্মা, সীমান্ত, সোশ্যাল ইসলামী, দি প্রিমিয়ার ও ইউনিয়ন ব্যাংক।
সংসদীয় কমিটিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, উচ্চ শ্রেণিকৃত (মূলত খেলাপি) ঋণ, প্রয়োজনীয় প্রভিশনিং (খেলাপির বিপরীতে পরিচালন মুনাফা থেকে টাকা রাখা), মূলধন ঘাটতি এবং দুর্বল সম্পদমান ব্যাংকগুলোর উপার্জন ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফলে পরিচালন পর্যায়ে মুনাফা সমন্বয়ের পর অনেক ব্যাংক নিট ক্ষতিতে পড়ছে।