
কারণ কী
সময়ের আগে বয়ঃসন্ধির লক্ষণ দেখা দেওয়ার এ সমস্যাকে বলা হয় প্রিকোসিয়াস পিউবারটি। অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনের কারণ হতে পারে পিটুইটারি মাইক্রোএডেনোমা বা পিটুইটারির ক্ষুদ্র টিউমার। অনেক সময় টিউমার ছাড়াও প্রিকোসিয়াস পিউবারটি হতে পারে। টিউমারের কারণে হলে একে সেন্ট্রাল প্রিকোসিয়াস পিউবারটি বলে। এ টিউমারগুলো সাধারণত ক্ষুদ্রই হয়। মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্ল্যান্ডের ১০ মিলিমিটারের (১ সেন্টিমিটার) কম আকারের টিউমারকে মাইক্রোএডিনোমা বলা হয়।
লক্ষণ কী
পিটুইটারি গ্রন্থি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ করে। এর মধ্যে রয়েছে এলএইচ ও এফএসএইচ, যা বয়ঃসন্ধির পরিবর্তনের জন্য জরুরি। আবার কৈশোরে গ্রোথ হরমোনের প্রভাবে কিশোর–কিশোরীরা দ্রুত বাড়ে। কোনো কারণে এই পিটুইটারি গ্রন্থিতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে অকালে অতিরিক্ত হরমোন ক্ষরণের ফলে অকালবয়ঃসন্ধি বা প্রিকোসিয়াস পিউবারটি, শরীরের দ্রুত ও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হতে পারে।
পিটুইটারি গ্রন্থি যেহেতু চোখের পেছনে করোটির অভ্যন্তরে থাকে, তাই এতে কোনো টিউমার হলে বা এর আকার বড় হলে মাথাব্যথা, চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, শারীরিক দুর্বলতা ইত্যাদি দেখা দেয়।
নন-ফাংশনিং টিউমার বা যেসব টিউমার হরমোন তৈরি করে না, সেগুলোতে সচরাচর কোনো লক্ষণই থাকে না। অন্য কোনো কারণে মস্তিষ্কের এমআরআই করতে গিয়ে হঠাৎ এটি ধরা পড়ে। তখন একে ইন্সিডান্টোলেমা বলে।