• শুক্র. সেপ্টে. 25th, 2026

গাজী নজরুলকে ঘিরে বিতর্কের পর সংসদ সদস্য আচরণ আইন আবার আলোচনায়

Bytrendnews

সেপ্টে. 25, 2026


২০১২ সালে ‘নবম জাতীয় সংসদের সদস্যদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ভূমিকা পর্যালোচনা’ শিরোনামে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল টিআইবি। তাতে দেখা যায়, ওই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত নবম সংসদের ১৪৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ১৪৪ জন (৯৭ শতাংশ) এক বা একাধিক নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এর মধ্যে প্রশাসনিক কাজে প্রভাব বিস্তার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন বরাদ্দের অপব্যবহার, বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম, সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ ছিল। ওই প্রতিবেদনে সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি আইন করার সুপারিশ করা হয়েছিল।

এবার গাজী নজরুল-কাণ্ডকে সংসদ সদস্যদের নৈতিক স্খলনের ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে টিআইবি। গত মঙ্গলবার সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে বলেন, দুঃখের বিষয়, সংসদ সদস্যদের নৈতিক স্খলনের তথ্য বিভিন্ন গবেষণা ও স্থানীয় পর্যায়ে নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যনির্ভর বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদনে এর আগেও ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত ও আলোচিত হয়েছে; কিন্তু তা প্রতিকারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি।

সংসদবিষয়ক গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, অতীতে দুজন সংসদ সদস্য বেসরকারি বিল আনলেও আইন হয়নি। মনে হয়, সংসদ সদস্যরা নিজেদের জন্য একটি সীমারেখা টানতে আগ্রহী নন। তাঁরা সবার জন্য আইন করেন; কিন্তু নিজেদের বিষয়ে এটা করতে চান না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংসদ সদস্যদের আচরণ আইন বা কোড অব কন্ডাক্ট আছে। বাংলাদেশেও এ রকম আচরণবিধি করা জরুরি।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।