
১. খাদ্যাভ্যাস: বলা হয় দৈনন্দিন খাবার থেকে ৫০০ ক্যালরি ছেঁটে দিলেই প্রতি দুই সপ্তাহে এক কেজি ওজন কমানো সম্ভব। উচ্চতা ও দৈনন্দিন কাজের ধরন অনুযায়ী দৈনিক ক্যালরি চাহিদা কত হওয়া উচিত তা পরিমাপ করতে একজন পুষ্টিবিদের সাহায্য নিতে পারেন।
ধরা যাক, আপনার দৈনিক ১২০০ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করা উচিত। এখন আদর্শ সুষম খাবার হিসেবে এই মোট ক্যালরির ৪৫-৫৫ শতাংশ শর্করা, ২০-৩৫ শতাংশ আমিষ, ৩০ শতাংশের কম চর্বি–জাতীয় খাবার থেকে আসতে হবে। এই পরিমাণের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কী ধরনের শর্করা, আমিষ ও চর্বি গ্রহণ করছেন। যেমন সহজ শর্করা (সাদা ভাত, ময়দার তৈরি খাবার, নুডলস, পাস্তা, চিনি, মিষ্টি) বাদ দিয়ে খেতে হবে জটিল শর্করা, যেমন লাল চালের ভাত, লাল আটা, ওটস বা গোটা শস্যের তৈরি খাবার। আমিষের ক্ষেত্রে বেছে নিতে হবে মাছ, চামড়া ছাড়া মুরগি, দুধ, টক দই, ডিম, ডাল ইত্যাদি। চর্বি বা ফ্যাট–জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে বেছে নিতে হবে অসম্পৃক্ত চর্বি যা মাছের তেল ও বাদামে আছে। ভোজ্যতেলের পরিমাণ কমাতে হবে, তা যে ধরনেরই খান না কেন। সম্পৃক্ত চর্বি যেমন মাখন, ঘি, মাংসের গায়ে দৃশ্যমান চর্বি বাদ দিতে হবে, বাদ দিতে হবে ট্রান্সফ্যাট মানে উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করা তৈলাক্ত খাবার, যেমন ফাস্টফুড, ফ্রাই, কেক পেস্ট্রি ইত্যাদি।