
এ সময় গরম–ঠান্ডার মিশ্র আবহাওয়ার কারণে সর্দি–কাশি বা ঠান্ডাজনিত জটিলতা বাড়ে। বিশেষ করে ফ্লু–জাতীয় ভাইরাসের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। হঠাৎ করেই শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, গা কাঁপিয়ে জ্বর, গলাব্যথা, খুসখসে কাশি, সর্দিতে নাক বন্ধের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এসব জ্বর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই চার–পাঁচ দিনের মাথায় কমে এলেও কাশি থেকে যেতে পারে দীর্ঘদিন, সেই সঙ্গে থাকে দুর্বলতা ও অরুচি। এসব জ্বরে চিকিৎসা তেমন কিছু নেই, জ্বর বা ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল–জাতীয় ওষুধ, কাশি বা গলায় সংক্রমণ থাকলে সেমতো কিছু ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শে সেবন করতে হবে। তবে শুধু ওষুধ নয়; বরং পর্যাপ্ত বিশ্রাম, তরল ও পুষ্টিকর খাবার, গরম চা, আদা ইত্যাদি খেলে শরীরে আরাম বোধ হবে।