
ইরানের কর্মকর্তারা বলে আসছেন, তাঁরা পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করছেন না। তবে মোহসেন রেজায়ির মতো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও অন্যান্য অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) সদস্য হিসেবে থাকার যৌক্তিকতা কী।
চলতি সপ্তাহে ইরানের কর্মকর্তারা একাধিক দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ সোমবার তেহরান সফর করেন। এর আগের দিন তিনি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। অন্য আরব কর্মকর্তাদেরও তেহরান সফরের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব বৈঠকের পরও নতুন করে যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা কমেছে বলে মনে হচ্ছে না।
গতকাল তেহরানে ইরানি রপ্তানিকারকদের এক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, দেশটির ওপর নতুন করে হামলা এবং আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি রয়েছে।