
এর ঠিক পরপরই ধারাভাষ্যকার, রাজনীতিবিদ, টকশো সঞ্চালক এবং রাজনৈতিক কর্মীদের পক্ষ থেকে মন্তব্যের ঝড় ওঠার বিষয়টিও বেশ অনুমেয় ছিল। এরা সবাই সাধারণ মানুষের রাস্তায় নেমে আসার এই দৃশ্যটিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে প্রস্তুত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফ্রান্সের মানুষদের নিয়ে বাঁধাধরা কিছু বুলি আওড়ানো হয়েছে—কাউকে বলা হয়েছে অত্যন্ত বিপ্লবী, আবার কাউকে বলা হয়েছে উন্মাদ।
অন্যদিকে ডানপন্থীদের তরফ থেকে প্রচার করা হয়েছে নিছক কিছু অসত্য তথ্য; দাবি করা হয়েছে যে, অভিবাসীদের তথাকথিত অনুপ্রবেশ নাকি ফরাসি ও পশ্চিমা সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
আমাদের মতো যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সমসাময়িক ফ্রান্স নিয়ে কাজ করছেন, তাঁদের জন্য এই তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্যের হিড়িক বেশ ক্লান্তিকর। তবে এটি অন্তত আমাদের গবেষণার একটি মূল প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে আসে, আধুনিক ফ্রান্স কেন সব সময় প্রতিবাদ ও আন্দোলনের ভূখণ্ড হয়ে থাকে?
আর সবচেয়ে বড় কথা, একটি মাঝারি আকারের ইউরোপীয় দেশ—যা অনেক আগেই বিশ্বশক্তির খেতাব হারিয়েছে—তার ভেতরে কী ঘটছে তা নিয়ে কেনই–বা আজও সবাই এত মাথা ঘামায়?