• সোম. অক্টো. 19th, 2026

বিতর্ক থেকে বিজ্ঞানে | প্রথম আলো

Bytrendnews

অক্টো. 19, 2026


একসময় বিতর্ক করতেন আর এখন প্রযুক্তির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছেন ইমরান আলী। এ বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল অ্যাপস হ্যাকাথনে’ স্যানিটেশন ক্যাটাগরিতে গেমস তৈরি করে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ইমরান ও তার বন্ধুরা। রাব্বি, সোহেল আর আরিফের দলনেতা ছিলেন ইমরান। বন্ধুমহলে তাঁর পরিচয় অবশ্য সাগর নামে।
ইমরান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে পড়ছেন। আর এখান থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখেন সার্চ জায়ান্ট গুগলে চাকরি করার। তাঁর কথায়, ‘বাংলাদেশের তরুণেরা ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে গুগলে চাকরি করতে পারলে, রাজশাহীতে পড়ে আমি কেন নয়? আমার কমতি কিসে?’
শুধু কম্পিউটার বিজ্ঞান বা গেমস নির্মাণ নিয়েই ব্যস্ত নন তিনি, এর সঙ্গে বিজ্ঞান শিক্ষা প্রচারের জন্য কাজও করছেন ইমরান। তৈরি করেছেন ‘প্ল্যাটফর্ম অব সায়েন্স’ নামের এক সংগঠন, যার মাধ্যমে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন গ্রামে স্কুলশিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানভীতি দূর করার চেষ্টা ও ব্যবহারিক বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয় করার জন্য কাজ করছেন।
বিজ্ঞান ছাড়াও বিতর্কেও বেশ দক্ষতা আছে ইমরানের। শিশুকাল থেকেই বিতর্কের জগতে পা তাঁর। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর জাতীয় পর্যায়ে বিতর্কে রানারআপ হন তিনি। এ ছাড়া বেশ কয়েকবার রাজশাহীর স্থানীয় পর্যায়ে বিতর্কে চ্যাম্পিয়নও হয়েছেন ইমরান। ২০১০ সালে রাজশাহী জেলার সেরা স্কাউটও নির্বাচিত হন তিনি। রাজশাহী সিটি কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ছিলেন ইমরান।
ইমরানের এখন একটাই স্বপ্ন, হয় গেমস ডেভেলপার হওয়া নতুবা গুগলে চাকরি। গুগলে চাকরি করা তো আর মুখের কথা নয়। তাই তো এরই মধ্যে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, অ্যাপস নির্মাণসহ গুগল ডেভেলপার গ্রুপ, বাংলা উইকিপিডিয়া, গুগল ম্যাপ মেকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেকে গড়ে তুলছেন। বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা আর ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেও নাকি বিজ্ঞান আর বিতর্ককে টেনে আনেন ইমরান। নিজেকে শুধু পড়াশোনা আর বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আটকে না রেখে বড় মানুষ হয়ে বেড়ে ওঠার লক্ষ্য তাঁর। আর এ জন্যই হাজারো কাজের মধ্যে দেখা যায় ইমরানকে।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।