
সালমি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দেশে মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। তিউনিসিয়াকে কোনো একজন ব্যক্তির শাসনে চলতে দেওয়া যায় না। এমন একটি সরকারের হাতে দেশ ছেড়ে দেওয়া যায় না, যারা জনগণের কথা শোনে না।’
বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুনির জেলাসি। তিনি আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কারণ তুলে ধরে বলেন, প্রথমত দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দিন দিন কমে আসছে। মৌলিক স্বাধীনতার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, চলমান অর্থনৈতিক সংকট। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে স্বাভাবিক জীবন যাপন করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।