
সিইও সাবিক বিন সুলতান এখন পড়ছেন বিএএফ শাহীন কলেজ কুর্মিটোলার একাদশ শ্রেণিতে। অন্যদিকে সিওও শাফি বিন সুলতান সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। পড়ালেখা, সঙ্গে স্টার্টআপ—এত কিছু কীভাবে সামলাচ্ছেন? জানতে চাইলে সাবিক বলেন, ‘সত্যি বলতে একেবারে নিখুঁতভাবে সব সামলে নিচ্ছি, বললে ভুল হবে। তবে হ্যাঁ, আমাদের দলের একেকজন একেক দেশের হওয়ায় একজন না থাকলেও বাকিরা ঠিক সামলে নিচ্ছে।’
পাঁচ বছর পর এজেন্টিকহায়ারকে কোথায় দেখতে চান? প্রশ্নের উত্তরে শাফি বলেন, ‘আমরা চাই এজেন্টিকহায়ার সারা বিশ্বে ইতিবাচক প্রভাব ফেলুক। বিশেষ করে ছোট ব্যবসা ও প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলোর ক্ষেত্রে, যাদের নিজস্ব এইচআর টিম নেই। আমরা এটাও চাই, মানুষ মনে রাখুক এর শুরু কোথায়—বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থীর হাত ধরে, যারা একটি একসিলারেটর কর্মসূচির মাধ্যমে অন্য দেশের সহযোগীদের সঙ্গে এক হয়ে একটা কিছু গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।’
দুই ভাই জানালেন, ভবিষ্যতে তাঁরা বিশ্বমানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান। পাশাপাশি ব্যবসা তো চলবেই। তাঁদের মতে, উদ্যোক্তা হওয়া শেখা যায় পড়াশোনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে।
২০২৭ সালের জানুয়ারিতে এজেন্টিকহায়ারের বৈশ্বিক লঞ্চের পরিকল্পনা করছে দলটি। তার আগপর্যন্ত উদ্যোক্তাদের মনোযোগ এখন পণ্যটির মান উন্নয়ন ও সম্ভাব্য ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানো নিয়ে। এই পুরো যাত্রায় হার্ভার্ডের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী তাঁদের পরামর্শদাতা হিসেবে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।