
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বলেছে, বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম ১২০ বছরের। খুচরা ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির সম্ভাবনা যাচাই করা হলেও বাংলাদেশের বাজারের প্রতি তাদের যে প্রতিশ্রুতি, তাতে কোনো পরিবর্তন আসবে না। সম্ভাব্য লেনদেনের প্রস্তুতির সময়ও ব্যাংকের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও সচ্ছল গ্রাহকদের কৌশলগতভাবে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, এই উদ্যোগ তারই অংশ।
ব্যাংকটির ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, আন্তসীমান্ত মূলধনের প্রবাহ ও অবকাঠামো অর্থায়নের মতো ক্ষেত্রে তাদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা রয়েছে। বাংলাদেশে এসব ব্যবসায় আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে তারা। একই সঙ্গে ব্যাংকটি বলেছে, বাংলাদেশ তাদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে তাদের যে প্রতিশ্রুতি, তা অব্যাহত থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, বাংলাদেশের এমন খাতে কৌশলগত মনোযোগ বাড়ানো হচ্ছে, যেখানে ব্যাংকটির বৈশ্বিক উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক মূলধনের প্রবাহ ও অবকাঠামো অর্থায়নে ব্যাংকটি গুরুত্ব দেবে।