• বুধ. অক্টো. 7th, 2026

ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডে চ্যাম্পিয়ন এখন বাংলাদেশ

Bytrendnews

অক্টো. 6, 2026


প্রকল্পের ভাবনাটা দাঁড় করাতে কত খাটাখাটনি করতে হয়েছে, সে কথা বলছিলেন সাহিদ হোসেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের অলিম্পিয়াডের আগে বেশি সময় ছিল না। মিড শেষ করে টানা ৩২ ঘণ্টা না ঘুমিয়ে আমরা প্রকল্প জমা দিয়েছি। ৩টি জিনিস দিতে হয়েছে—১০ মিনিটের ভিডিও, পিচ ডেক ও পেপার।’ তবে আন্তর্জাতিক পর্বে পৌঁছে সাহিদরা বুঝতে পারেন, সেখানকার বিচারকের মাপকাঠি ঠিক বাংলাদেশের মতো নয়। তাই নতুন করে তাঁরা পিচ, প্রেজেন্টেশন তৈরি করেন। সাহিদ বলেন, ‘খুব দ্রুত আমাদের কাজ করতে হয়েছে। ওখানে পরিবেশ আসলে অন্য রকম। অনেক প্রতিযোগী ছিল, যারা ব্লকচেইনের কোম্পানিতে কাজ করে। তারা অনেক এগিয়ে। হংকংয়ের দলগুলোকে দেখে বেশি অবাক হয়েছি। ওদের একটা দলে ১৪ বছর বয়সী একজনের ব্লকচেইন নিয়ে যা জ্ঞান দেখলাম, তা অবিশ্বাস্য।’

এত তুখোড় প্রতিযোগীদের হারিয়ে কোন আইডিয়া বাংলাদেশ দলকে চ্যাম্পিয়ন করল? সাদিয়া বুঝিয়ে বলেন, ‘মেধাস্বত্ব বলতে আমরা বুঝি পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক বা নতুন কোনো আবিষ্কার। বাংলাদেশে এই মেধাস্বত্ব-সংক্রান্ত সিস্টেমগুলো ম্যানুয়াল, এবং অনেক সময়সাপেক্ষ। একটু হোমওয়ার্ক করে আমরা জেনেছি, শুধু বাংলাদেশে না, বিশ্বের আরও অনেক দেশেই কাজটা সময়সাপেক্ষ। ফলে এ সময়ের মধ্যে কারও আইডিয়া চুরি হয়ে যেতে পারে। আমরা মেধাস্বত্বের জন্য একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চেয়েছি, যেন খুব সহজে, কম সময়ে ও নিরাপদভাবে পেটেন্ট বা রেজিস্ট্রার করা যায়।’

সাদিয়াদের প্রকল্পটি বার্সেলোনার কয়েকজন বিনিয়োগকারীর এতই পছন্দ হয়েছে যে তাঁরা অ্যাপোক্যালিপসের সদস্যদের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেছেন, লিংকডইনে যুক্ত হয়েছেন। তবে সুযোগ পেলে আগে দেশের জন্য কাজ করতে চায় দলটি।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।