
হোমলেস ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশ দলটির নেতৃত্ব দেন শির প্রতিষ্ঠাতা শারমিন ফারহানা চৌধুরী। কোচ ছিলেন জহিরুল হক। দলের ব্যবস্থাপক ছিলেন সংস্থার ক্রীড়া বিভাগের প্রধান পাপ্পু মোদক। ভিসা–জটিলতায় মূল পর্বে খেলতে না পারা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর ভিসা পাওয়ায় মূল পর্বে খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে আয়োজকেরা দলকে র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা দলগুলোর সঙ্গে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলার সুযোগ দেয়। সব কটি ম্যাচ ফিফা তাদের লাইভ প্লাস অ্যাপে সরাসরি সম্প্রচার করে। মোট ১৪ মিনিটের খেলায় প্রতি দলের চারজন করে খেলোয়াড় মাঠে খেলেছেন।’
হোমলেস ওয়ার্ল্ড কাপের মূল পর্বে মেক্সিকো চ্যাম্পিয়ন ও ইংল্যান্ড রানারআপ হয়েছে। শারমিন ফারহানা চৌধুরী বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বকাপে অংশ নিতে পেরেছি এবং লাল-সবুজ পতাকা বিদেশের মাটিতে ওড়াতে পেরেছি—এটা অনেক বড় প্রাপ্তি। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলে সবার প্রশংসা কুড়ায় আমাদের দল।’
এই আয়োজনে সুখস্মৃতির কোনো অভাব ছিল না। হোমলেস ওয়ার্ল্ড কাপ ফাউন্ডেশনের লেখক ইসোবেল ইরভাইন বাংলাদেশ দলকে নিয়ে একটি ফিচার করেছেন। তিনিও বাংলাদেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ‘কাইজ্জা’ নিয়ে ওয়াকিবহাল। সেটাকে ভিত্তি করে তাই একদিন ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা দলের সঙ্গের বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের দড়ি টানাটানি খেলার আয়োজন করেছিলেন। তাঁর ফিচারের সঙ্গে ছাপা হয়েছে সেই ছবি।
কোরীয় খাবার নিয়ে বেশ ভুগতে হয়েছে। খায়রুলের ভাষায়, ‘কী যে খেতে দিছিল, মুখেও দিতে পারতে ছিলাম না।’
ফুংলিয়ান বললেন, ‘সব কাঁচা কাঁচা। লবণ নাই।’
দুজনেই খুব হাসতে হাসতে বললেন, ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় নেমে তাঁরা সবাই বিরিয়ানি খেতে ছুটেছিলেন।