
১৯৫০ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হওয়া ইসিআই সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে একটি স্থায়ী সাংবিধানিক পর্ষদ।
এর একেবারে ওপরের সারিতে আছেন তিনজন নির্বাচন কমিশনার। এদের একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি। আর দুজন হলেন নির্বাচন কমিশনার বা ইসি।
প্রথমে মনে হতে পারে, জ্ঞানেশ কুমার যেহেতু সিইসি, সেহেতু অন্য দুই কমিশনারের চেয়ে তাঁর ক্ষমতা বেশি। আদতে মোটেও তা না। আসলে তিনজনের ক্ষমতা একদম সমান সমান।
গোড়াতেই বলেছি, আগে ইসিআইয়ে কমিশনার ছিলেন একজন। কিন্তু ১৯৯১ সালে সে সময়কার সিইসি টি এন শেষনকে নরসিমা রাওয়ের সরকার বশে আনতে না পেরে তিনজন কমিশনারের পর্ষদ বানিয়েছিল।
নরসিমার পরিকল্পনা ছিল, টিএন শেষন সরকারের অপছন্দনীয় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইলেই বাকি দুই ইসিকে দিয়ে আপত্তি তুলে তা আটকে দেওয়া হবে।
এই পর্ষদ বানানোর সময় নরসিমার সরকার বলেছিল, ইসিআই যাতে কোনো একক ব্যক্তির একক ইচ্ছার অধীনে চলে না যায়, তা নিশ্চিত করার জন্য এই বিধান করা হয়েছে।
তখন থেকেই সিইসি কমিশনের প্রধান হলেও অতিরিক্ত কোনো ক্ষমতা তাঁর হাতে নেই। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সিইসিকে ‘ফার্স্ট অ্যামাং ইকুয়ালস’ বলা হয়েছে।
২০০৯ সালে নবীন চাওলা সিইসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় নিজেই বলেছিলেন, ‘সিইসি ইজ দ্য ফার্স্ট অ্যামাং ইকুয়ালস’। তিনি বলেছিলেন, ‘তিনজনই সমান এবং সিদ্ধান্ত যৌথভাবে নেওয়া হবে।’