
দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যাংক নিট লোকসানে থাকলে সিএসআর খাতে কোনো অর্থ ব্যয় করতে পারে না। নিয়ম অনুযায়ী একটি ব্যাংক ১০০ টাকা সিএসআর ব্যয় করলে তার মধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ৩০ শতাংশ করে মোট ৬০ শতাংশ; পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে ২০ শতাংশ এবং আয়-উৎসারী কাজ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ অন্যান্য খাতে বাকি ২০ শতাংশ খরচ করতে পারে।
২০১৫ সালে দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলো সিএসআর খাতে ব্যয় করেছিল ৫২৭ কোটি টাকা, যা ২০১৬ সালে কমে হয় ৪৯৭ কোটি টাকা। তবে ২০১৭ সালে সিএসআর ব্যয় ৭৪৪ কোটিতে উন্নীত হয়, যা ২০১৮ সালে ৯০৫ কোটি, ২০১৯ সালে ৬৪৮ কোটি, ২০২০ সালে ৯৬৮ কোটি ও ২০২১ সালে ৭৫৯ কোটি টাকা হয়। ২০২২ সালে ব্যাংকগুলো সিএসআর ব্যয় করে ১ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা, যা ২০২৩ সালে ৯২৪ কোটিতে নামে এবং ২০২৪ সালে আরও কমে ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় এবং ২০২৫ সালে মাত্র ৩৪৫ কোটি টাকায় নেমে যায়।
চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন ছয় মাসে ব্যাংকগুলো এই খাতে খরচ করেছে ১১৯ কোটি টাকা, যা এর আগের ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫) ছিল ১৯৮ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুন ছয় মাসে অবশ্য ব্যাংকগুলো খরচ করেছিল ১৫০ কোটি টাকা।