
দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের এক চিকিৎসকের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ বৈদ্যের পরিচয় ছিল। সেই চিকিৎসকের পরামর্শে এখানে এসে ভর্তি হন তিনি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে তাঁর ওপেন হার্ট সার্জারি (হৃদ্যন্ত্রে অস্ত্রোপচার) হয়। তাঁর সঙ্গে গত সপ্তাহে কথা বলেছে প্রথম আলো। তিনি বলেন, ‘এখন বেশ ভালো আছি। হাসপাতালের বিল পরিশোধের সময় বিশেষ ছাড় দিয়েছিল আমাকে। এই হাসপাতালের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’
হৃদ্যন্ত্রে রিং পরানো, পেসমেকার স্থাপন এবং ওপেন হার্ট সার্জারির পাশাপাশি জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, জেনারেল সার্জারি, অর্থোপেডিক সার্জারি, গলব্লাডার অস্ত্রোপচার, ক্যানসার চিকিৎসা, কিডনি ডায়ালাইসিস, গাইনি ও অবস, ফিজিওথেরাপি ও দাঁতের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা, আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি, ইকো, ইটিটি ও সিটি স্ক্যানের সুবিধাও রয়েছে।
জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী চিকিৎসা নেন, যাঁদের বেশির ভাগই হৃদ্রোগী। আর হাসপাতালে নিয়মিত ভর্তি থাকেন শতাধিক রোগী। তাঁদের মধ্যে গড়ে ৩০ জন হৃদ্রোগী। জরুরি বিভাগেও প্রতিদিন অর্ধশতাধিক রোগী সেবা নেন। প্রতিদিন গড়ে ১৫টির বেশি অস্ত্রোপচার হয়।
জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে শয্যা আছে ৩৫০টি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, মেডিক্যাল অফিসার, নার্সসহ ১৫২ জন এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ১৫০ জন কর্মী এখানে কাজ করছেন। ২১ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।