
১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হ্যাকএমআইটিতে ৩৬টি দেশের ১ হাজার ১০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের সামনে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। স্পেসএক্সের দেওয়া চ্যালেঞ্জ জয় করে বিজয়ী হন দুই বাংলাদেশি। ভবিষ্যতে স্পেসএক্সে ইন্টার্নশিপ ও চাকরির জন্য এই চ্যালেঞ্জ জয় বেশ সহায়ক হবে বলে জানিয়েছেন বিজয়ী শিক্ষার্থীরা।
নিজেদের প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরে আশরাফুল ইসলাম বলেন, স্কুটারিস একটি এআইচালিত অরবিটাল সেফটি প্ল্যাটফর্ম। এটি পৃথিবীর চারপাশে থাকা স্যাটেলাইট ও স্পেস ডেব্রিসের সম্ভাব্য সংঘর্ষের ঝুঁকি খুঁজে বের করে এবং গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিগুলো সহজভাবে তুলে ধরে। এতে সেলেসট্র্যাক থেকে সংগ্রহ করা ৯ হাজারের বেশি বাস্তব কক্ষপথের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহারকারী সাধারণ ভাষায় কোনো প্রশ্ন করলে ইলাস্টিকসার্চ সেই তথ্যের মধ্য থেকে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ঝুঁকিগুলো খুঁজে বের করে। এরপর স্পেসএক্সএআইয়ের গ্রোক পাঁচ ধাপে ঝুঁকিটি বিশ্লেষণ করে, সম্ভাব্য করণীয় জানায়, নিরাপত্তার বিষয়গুলো যাচাই করে ভিজ্যুয়াল প্রতিবেদন তৈরি করে। ত্রিমাত্রিক পৃথিবীতে স্যাটেলাইটের অবস্থান, কক্ষপথ, সম্ভাব্য সংঘর্ষের দূরত্ব এবং ঝুঁকির মাত্রাও দেখা যায়।