
কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, চাইলেই আপনি ‘ইউজার ইন্টারফেস’–এর সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। অর্থাৎ মক টেস্টে আপনি যেমনটা দেখবেন, মূল পরীক্ষায়ও একই রকম নিয়ম থাকবে। বারবার পরীক্ষা দিলে আপনার একরকম দক্ষতা তৈরি হয়ে যাবে।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির গবেষক রুবিনা হক এ মাসেরই ৬ তারিখ কম্পিউটার বেজড আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতির একটি বড় অংশজুড়ে থাকা উচিত মক টেস্ট। ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে বিনা মূল্যে কম্পিউটার ডেলিভারড আইইএলটিএস ফ্যামিলিয়ারাইজেশন টেস্ট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটি আসল পরীক্ষার মতোই একটি ডেমো সফটওয়্যার। এই মক টেস্ট দিলে বুঝতে পারবেন, কীভাবে উত্তর সাবমিট করতে হয়, কীভাবে হাইলাইট করতে হয় কিংবা কীভাবে স্ক্রিনে থাকা ঘড়ির সময় দেখে নিজেকে প্রস্তুত করতে হয়। অন্তত তিন থেকে পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ মক টেস্ট না দিয়ে আসল পরীক্ষায় বসা একদমই অনুচিত। কম্পিউটার ফরম্যাটে পরীক্ষা দেওয়ার সময় কিছু ছোট টিপস আপনার স্কোর বাড়াতে পারে। রাইটিং সেকশনে আপনাকে আলাদাভাবে শব্দ গুনতে হবে না। স্ক্রিনের নিচেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়ার্ড কাউন্ট দেখাবে, যা সময় বাঁচায়। মাউসের রাইট বাটনে ক্লিক করে প্যাসেজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হাইলাইট করতে পারবেন। ভার্চ্যুয়াল নোট নিতে পারবেন। রাইটিং টাস্কে কোনো বাক্য ভুল মনে হলে বা নতুন কোনো আইডিয়া যুক্ত করতে চাইলে খুব সহজেই কাট–পেস্ট করতে পারবেন। হাতে লেখা পরীক্ষায় এসব সুযোগ ছিল না।’
যাঁরা সামনে পরীক্ষা দেবেন বলে ভাবছেন, আগে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার ভিডিওগুলো দেখুন। ইন্টারফেসটা চিনুন। কোনো কোচিংয়ে যাওয়ার আগে নিজে একটি ফ্রি মক টেস্ট দিয়ে দেখুন, আপনি বর্তমানে কোন লেভেলে আছেন। এ ছাড়া রুটিন মেনে চর্চা করুন। লিসেনিং ও রিডিংয়ের জন্য প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে সময় দিন। লিসেনিং প্র্যাকটিসের সময় হেডফোন ব্যবহার করুন। কেবল পরীক্ষার ধরন জানলেই হবে না, ইংরেজি ভাষার মূল ভিত্তি অর্থাৎ শব্দভান্ডার ও ব্যাকরণে দক্ষতা বাড়াতে হবে। একটি তথ্য জেনে রাখা ভালো, স্পিকিং টেস্টের সময় পরীক্ষক সরাসরি থাকতে পারেন, আবার পরীক্ষার কেন্দ্রে অনলাইনেও যুক্ত হতে পারেন। দুই ভাবেই স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলার চর্চা করুন।