
জো জানতে চেয়েছিল, শুঁয়াপোকা যদি খারাপ অভিজ্ঞতার সঙ্গে কোনো গন্ধকে মিলিয়ে শেখে, তাহলে প্রজাপতি হওয়ার পরও কি সেই গন্ধ এড়িয়ে চলবে?
পরীক্ষা করার জন্য সে কয়েকটি শুঁয়াপোকাকে ল্যাভেন্ডার তেলের গন্ধের সঙ্গে খুব হালকা বৈদ্যুতিক শক দেয়। ঠিক মার্থার মতো।
অবশ্য মার্থা তাঁর গবেষণায় ল্যাভেন্ডারের তেল ব্যবহার করেননি। তিনি ক্ষতিকর ইথাইল অ্যাসিটেট ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু জোর মনে হয়েছে, এমন রাসায়নিক ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
তাই সে নিরাপদ ল্যাভেন্ডার তেল ব্যবহার করে। আরেক দিক থেকেও জো আলাদা ছিল। শুঁয়াপোকাগুলোকে সে পরীক্ষার গিনিপিগ নয়, বন্ধু মনে করত।
তাই সবচেয়ে কম মাত্রার শক দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে শকের মাত্রা বাড়িয়েছে। এমনকি জো নিজের হাতেও এই শক নিয়ে দেখেছে, কতটা অস্বস্তি লাগে।
পরীক্ষার জন্য শুঁয়াপোকা পালতে শুরু করে জো। পরীক্ষা শুরুর কয়েক দিন পর শুঁয়াপোকাগুলো ল্যাভেন্ডারের গন্ধ এড়িয়ে চলতে শুরু করে। এরপর সেগুলো প্রজাপতিতে রূপান্তরিত হয়। ইংরেজি ওয়াই (Y) অক্ষরের মতো একটি পথ তৈরি করে জো।