
অটিজম হওয়ার ক্ষেত্রে মা–বাবা কেউই দায়ী নন। অটিজমের মূল কারণগুলো জেনেটিক ও মস্তিষ্কের বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত। এমনকি এটা এখনো পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্যও নয়। তবে অটিজম হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমানো যায়।
-
গর্ভাবস্থায় মায়ের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত, গর্ভের শিশু ঠিকমতো বেড়ে উঠছে কি না, সেদিকে খেয়াল করা জরুরি।
-
প্রসব যেন নিরাপদ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে গর্ভকালীন জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।
-
গর্ভধারণের সময় মায়ের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অপুষ্টি; এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
-
গর্ভাবস্থার আগে ও সময়ে ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করতে হবে।
-
ইনফেকশন হলে দ্রুত চিকিৎসা করতে হবে।
-
অকারণে ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
-
ধূমপান, অ্যালকোহল, মাদক সম্পূর্ণভাবে এড়াতে হবে।
অটিজমের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন সমন্বিত চেষ্টা। এর মধ্যে শিশু স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিদ, স্পিচ থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, শিক্ষক, সমাজকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিশুর অভিভাবক, পরিবারের সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত।
অটিজম কোনো অভিশাপ নয়। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরিব, শহর-গ্রাম, সচেতন-অসচেতন যেকোনো মা–বাবার সন্তানই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অটিজম পুরোপুরিভাবে প্রতিরোধ করা যায় না। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে শিশুর ভাষা, আচরণ, শিক্ষা, সামাজিক দক্ষতার উন্নতি হতে পারে।