
দুদক চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক সাঈদ আহমদ ইমরান প্রথম আলোকে বলেন, আ জ ম নাছির উদ্দীন তাঁর সম্পদের বিবরণীতে মৎস্য চাষ থেকে আয় দেখিয়েছেন। কিন্তু অনুসন্ধানে বাস্তবে তাঁর কোনো মৎস্য চাষের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। যাঁদের সঙ্গে মৎস্য চাষের চুক্তিপত্র দেখানো হয়েছে, তাঁরাও জানিয়েছেন, নাছির উদ্দীনের সঙ্গে তাঁদের কোনো চুক্তি হয়নি। তাঁদের কোনো পুকুরও নেই।
সাঈদ আহমদ ইমরান আরও বলেন, আ জ ম নাছির উদ্দীন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন। এসব অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।