• মঙ্গল. সেপ্টে. 15th, 2026

চুরি ও অনিয়ম ধরা পড়ায় প্রত্যাহার বাংলাদেশিদের ৩২৫ গবেষণাপত্র

Bytrendnews

সেপ্টে. 15, 2026


বিশ্লেষণে দেখা যায়, গবেষণাপত্রগুলো প্রত্যাহার করে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে সবচেয়ে বেশি এসেছে পিয়ার রিভিউ (বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন) প্রক্রিয়ায় কারচুপি, তথ্য ও ফলাফলের অসংগতি, প্লেজিয়ারিজম (চৌর্যবৃত্তি), একই তথ্য পুনর্ব্যবহার এবং অপ্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি দিয়ে সাইটেশন (উদ্ধৃতি-সংখ্যা) বাড়ানোর অভিযোগ। কিছু গবেষণায় অর্থের বিনিময়ে লেখকস্বত্ব বেচাকেনার বাণিজ্যিক চক্র জড়িত (পেপার মিলের) থাকার কথাও চিহ্নিত করেছেন প্রকাশকেরা।

বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, ৩২৫টি গবেষণার মধ্যে ৪৪টিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ৪২টিতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ৩২টিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ২১টিতে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি (ইউআইইউ) এবং ২০টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নাম রয়েছে।

অন্যদিকে ১১টি করে গবেষণায় নাম আছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের। ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (১০), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (১০), বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি (১০), বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (৭), গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (৬) গবেষকেরাও রয়েছেন এই তালিকায়।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক মনিরুজ্জামান খানের যেসব গবেষণা প্রত্যাহার হয়েছে, সেগুলো ২০২১ থেকে ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত হয়েছিল। আর প্রত্যাহারের হয় ২০২৩ সালে। প্রত্যাহার হওয়া প্রতিটি গবেষণাপত্রেই সৌদি আরবের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা সহলেখক হিসেবে ছিলেন।



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।