
ড. এ এস এম আমানুল্লাহ: অনেকে বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে ছেলেমেয়েরা চাকরি পাচ্ছে না। প্রথমে জানতে হবে, বেকারত্বের মূল কারণটা কী। এককথায় বলতে গেলে কারণ হলো ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগের অভাব। কেন এই সংযোগ হচ্ছে না? ওই যে বললাম, মান্ধাতা আমলের কারিকুলাম। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই জরাজীর্ণ কারিকুলামকেই ঢেলে সাজিয়ে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমির যোগাযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। শিল্পোদ্যোক্তা ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে মেলবন্ধনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। বেশ কয়েকটা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা সমঝোতা স্মারক সই করেছি। যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্যের স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাভেন, চীনের হোপ এডুকেশন, অক্সফোর্ড একিউএ, ইউনিসেফ বাংলাদেশ, এটুআই, এসিসিএ, এনএসডিএ, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের সিনাওয়াত্রা ইউনিভার্সিটি, ইএটিএল ইনোভেশন হাবসহ প্রায় ১৫০টিরও বেশি দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা এমওইউ স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে ইন্টার্নশিপ, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ হচ্ছে। ঢাকা শেরাটন ও হোটেল ওয়েস্টিনের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। আমাদের গ্র্যাজুয়েটরা এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবে। এ ছাড়া ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও দক্ষতা বিনিময় করবে। খুব শিগগির বিদেশি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় আমরা মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ (এমপিএইচ) প্রোগ্রাম চালু করতে যাচ্ছি।