
তারপরও একটা জীবনই তো ইস্ট ওয়েস্টে কেটে গেল। শুরুতে শিক্ষার্থী, এরপর প্রভাষক, জ্যেষ্ঠ প্রভাষক, এখন অধ্যাপক। বিভাগীয় প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছি। যে শিক্ষা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছি, সেটাই এখন শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। এই ৩০ বছরে শিক্ষার্থী, শিক্ষকের সংখ্যা বেড়েছে, আকারে বড় হয়েছে ক্যাম্পাস, তবে আমার আনন্দ হয় তখন, যখন দেখি দেশে ও সমাজে আমাদের শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এটাই তো বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ। আমরা শুধু শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরি করতে চাই না; বরং এমন মানুষ গড়ে তুলতে চাই, যারা সমাজকে এগিয়ে নেবে, দিকনির্দেশনা দেবে। এখান থেকেই তৈরি হবে বুদ্ধিজীবী।
দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় অবদান রাখতে একসময় ফরাসউদ্দিন স্যার, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী স্যারের মতো মানুষেরা ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি গড়ে তুলেছিলেন। সেই মশাল বহনের দায়িত্ব এখন নতুন প্রজন্মের। আশা করি ইস্ট ওয়েস্টের শিক্ষার্থীরা দেশ গঠনের কাজে আরও বেশি অবদান রাখবে।