
যে খাতেই কাজ করতে চান না কেন, নেটওয়ার্কিং লাগবে। লিংকডইন বা বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমের সুবাদে নেটওয়ার্কিং এখন বেশ সহজ হয়ে গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন সেমিনার, ওয়েবিনার, কর্মশালা, কোর্সে অংশগ্রহণ করলে একটা নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজে চোখ রাখলে দেখবেন, ইন্টার্ন বা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজেরও নানা সুযোগ পাওয়া যায়। এ সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেন। তানজিলা বলেন, ‘কার্যকর নেটওয়ার্কিংয়ের প্রথম শর্ত হলো সক্রিয়ভাবে অন্যের কথা শোনা। আমরা বলি—লিসেন, আন্ডারস্ট্যান্ড, রিফ্লেক্ট, কানেক্ট। অর্থাৎ শুনুন, বুঝুন, সাড়া দিন আর যুক্ত হোন। নিজেকে তুলে ধরা বা পিচ করা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি জরুরি অর্থবহ সম্পর্ক তৈরি।’
মো. আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘নেটওয়ার্কিং এখন ক্যারিয়ার উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শুধু অনলাইন নয়, অফলাইন যোগাযোগও সমান জরুরি।’
জাইকা বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ প্রোগ্রাম অফিসার আলীমূল হাসান শোনালেন তাঁর অভিজ্ঞতা, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে শেষ বর্ষে পড়ার সময়ই ইউএনএইডসে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাই। আমার অনেক বন্ধুও আইওএম, সেভ দ্য চিলড্রেন, একশনএইডের মতো প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হয়ে গিয়েছিল। ইন্টার্নশিপ করার সময় সত্যিকার কাজের অভিজ্ঞতা হয়েছে। রিপোর্ট তৈরি, প্রেজেন্টেশন বানানো, নানা কিছু শিখেছি। পরে সেই অভিজ্ঞতার জোরেই বিভিন্ন দেশীয় প্রতিষ্ঠানে ডাক পাই। কয়েক বছর স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করে তারপর আন্তর্জাতিক সংস্থায় আবেদন করেছি।’
কয়েকটি ওয়েবসাইটের নামও উল্লেখ করলেন, যেগুলো থেকে কোর্স করে সনদ নিলে এগিয়ে থাকা সহজ হয়। যেমন—