
এ বিষয়ে সাকিব হোসেন বলেন, ‘গেইটেড কমিউনিটি, আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, সবুজ ও খোলা জায়গা, হাঁটার সুযোগ, শিশুদের বিনোদন, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজনীয় সামাজিক সুবিধা—সবকিছু মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ লাইফস্টাইল এখন ক্রেতাদের বিবেচনায় আসছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ক্রেতাদের মধ্যে “বাড়ি” ও “জীবনযাপনকে” আলাদাভাবে দেখার প্রবণতা কমেছে। তাঁরা এমন একটি আবাসন চান, যেখানে পরিবারের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার পাশাপাশি থাকবে কমিউনিটি লাইফ, প্রকৃতির সংস্পর্শ এবং দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক সব সুবিধা।’
তবে স্মার্ট হোম মানে শুধুই প্রযুক্তি যুক্ত করা নয়। এসব সুবিধা বাসিন্দাদের জন্য কতটা সহজ, কার্যকর, নিরাপদ ও দীর্ঘ মেয়াদে সাশ্রয়ী—সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি যেন জীবনকে জটিল না করে বরং সহজ করে, সেটিই হওয়া উচিত স্মার্ট আবাসনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতের আবাসন তাই শুধু ইট-কংক্রিটের কাঠামো নয়; বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্বস্তিদায়ক, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করার একটি সমন্বিত ব্যবস্থা। বাংলাদেশের আবাসন খাত এই পরিবর্তনের জন্য কতটা প্রস্তুত এবং বাস্তবে ‘স্মার্ট লিভিং’ কতটা সহজলভ্য হচ্ছে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।