
গত মার্চে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী সাসটেইনেবল সিটিস অ্যান্ড সোসাইটিতে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার অধিবাসীরা কী পরিমাণে তাপের চাপে আছেন এবং এর সময় ও এলাকাভিত্তিক প্রভাব নিয়ে ‘স্পেসোটেমপোরাল চেঞ্জেস ইন পপুলেশন এক্সপোজার টু হিট স্ট্রেস ইন সাউথ এশিয়া’ শিরোনামে গবেষণাটি করা হয়।
মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি টেকনোলজির সহযোগী অধ্যাপক শামসুদ্দিন শহিদ ও আং কাইয়ো কাইয়ো, মিসরের আরব একাডেমি অব সায়েন্সের গবেষক মোহাম্মদ মাগদি হামিদ ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান যৌথভাবে গবেষণাটি করেছেন।
গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর দক্ষিণ এশিয়ার ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ নতুন করে অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে এ ধরনের তাপমাত্রা বাড়ছে। গোটা বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও তাপের তীব্রতা মারাত্মকভাবে বেড়েছে।
দুটি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকা শামসুদ্দিন শহিদ বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে গ্রীষ্মকালে গরম বেড়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে। বাংলাদেশে এখনো আমরা ওই ঝুঁকির বিষয়টি চিহ্নিত করিনি। এই গবেষণার মাধ্যমে বিষয়টির সূত্রপাত হলো। বিশ্বের অনেক দেশে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পরামর্শ ও পূর্বাভাসের পাশাপাশি অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। যেমন রাস্তার পাশে প্রচুর গাছ লাগানো, পানির কল রাখা, জলাধার সংরক্ষণ ও প্রতিটি এলাকায় একটি করে বৃক্ষ আচ্ছাদিত পার্ক তৈরি করা। আমাদেরকেও তা করতে হবে।’