• বুধ. সেপ্টে. 16th, 2026

শিয়াল মারতে ফাঁদ, মানুষও মরছে

Bytrendnews

সেপ্টে. 16, 2026


সদ্য প্রয়াত বিজ্ঞানী রেজাউর রহমানের একাত্তরের বয়ান নেওয়ার সময় বারবার কাপাসিয়া প্রসঙ্গ আসে। একাত্তরের সামাজিক ইতিহাস বইয়ের কাজের সময় তাঁর সঙ্গে কথা হয়। একাত্তরে পুরান ঢাকার বংশালের ছেলে রেজাউর রহমান নিজ দেশে উদ্বাস্তু হয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন গাজীপুরের কাপাসিয়ার গ্রামে; সঙ্গে ছয় বোন। ঢাকা থেকে পরিবার–পরিজনের জন্য সাপ্তাহিক রেশন (চাল, ডাল, তেল, সাবান, সোডা, চা, চিনি ও লবণ) নিয়ে ফিরতে হতো তাঁকে। এক আশ্রয় থেকে তাড়া খেয়ে আরেক আশ্রয়ে ছুটতে হতো। তিনি বলেছিলেন, সেটা যেন বন্য প্রাণীর জীবন ছিল।

গত ১২ অক্টোবরের কথা। কাপাসিয়ার দস্যু নারায়ণপুরের চায়ের দোকানে দেখি স্থানীয় কলা আর ড্রাগন ফল সাজানো। দোকানে বসে স্থানীয় হালহকিকত নিয়ে আলাপ করতে করতে নোট বই খুলতেই দেখি, রেজাউর রহমানের ‘বন্য প্রাণী’ উদ্ধৃতির পাতাটা বারবার চলে আসছে। দোকানের মালিক সামশুল ভাইকে বললাম, ‘এদিকে শিয়াল, বানর, ময়ূর কি এখনো আছে?’

সামশুল বলেন, ‘ড্রাগনও খাবেন আবার শিয়ালও চাইবেন, তা কেমনে হয়? ড্রাগনখেতে শিয়ালের বড় অত্যাচার। মানুষ কারেন্টের (বৈদ্যুতিক) ফাঁদ দিয়ে দেদার শিয়াল মারছে। অন্য প্রাণীও মরে। কেউ বানারে (শীতলক্ষ্যার স্থানীয় নাম) ফ্যালায়, কেউ গর্ত করে পুঁতে দেয়।’



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।