
একপর্যায়ে বামন্দী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেওয়া হয়। সেখানে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে মাঠের বড় একটি অংশ পুড়ে যায়।
নিজের ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন কৃষক মজনু মিঞা। তিনি বলেন, ‘আর কদিন পরেই গম ঘরে তোলার কথা ছিল। আগুনে আমার খেতের সব গমের সঙ্গে পানি তোলার শ্যালো ইঞ্জিনটাও পুড়েছে। আমার আর কিছুই রইল না।’
আরেক কৃষক লতিফ হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আর মানুষের কাছ থেকে টাকা ধার করে এবার আবাদ করেছিলাম। আশা ছিল, গম বিক্রি করে ধার শোধ করব। আমার সব শেষ হয়ে গেল। এখন পাওনাদারদের কী জবাব দেব?’