
এনার্জি ইন অ্যাগ্রিকালচার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পেয়েছে মো. আবু হুরায়রা আল রিজন, আমিনা আরিফ ও শোয়াইব আহমেদের দল। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পেয়েছেন তানভীর হোসেন, খৈরম অনন্তা ও নুসরাত জাহান। একই ক্যাটাগরিতে মো. রাহাত মিয়া ও খন্দকার জুনায়েদ আহমেদের দল পেয়েছে ব্রোঞ্জ। অন্যদিকে স্ট্রাকচারস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ক্যাটাগরিতে ব্রোঞ্জপদক এনেছে সাবিদুর রহমান ও নুসরাত জিহানের দল।
এনার্জি ইন অ্যাগ্রিকালচার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক বিজয়ী দলের সদস্য মো. আবু হুরায়রা আল রিজনের কাছে এই অর্জন অনেক দিনের চেষ্টার ফল। রাতজাগা পরিশ্রম, ক্লান্তি, সাফল্য না এলে আবার নতুন করে শুরু করা—সেসবের স্মৃতিচারণা করে বললেন, ‘এই সাফল্য আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফল। বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে সবাই ছিল বাকৃবির, সেটাও অন্য রকম গর্বের বিষয়।’
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট ক্যাটাগরিতে স্বর্ণজয়ী নুসরাত জাহান বলেন, ‘এই অর্জনের পেছনে আমাদের দলের সবার অবদান আছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম তুলে ধরতে পেরেছি, এটিই সবচেয়ে বড় পাওয়া।’
পুরো যাত্রায় শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন তাঁদের মেন্টররা (উপদেষ্টা)। কৃষিশক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমানের তত্ত্বাবধানে তিনটি দল এবং একই বিভাগের অধ্যাপক মো. রুস্তম আলীর তত্ত্বাবধানে আরেকটি দল কাজ করেছে। শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি—বলেছেন বিজয়ী দলগুলোর সদস্যরা।
স্বীকৃতি হিসেবে স্বর্ণজয়ীরা পাচ্ছেন ৫০০ মার্কিন ডলার, ব্রোঞ্জজয়ীরা ২০০ ডলার এবং বিশেষ সম্মাননা। তবে পুরস্কারের অঙ্কের চেয়েও বিশ্বমঞ্চে নিজের দেশের নাম উচ্চারণ করার সুযোগকে বড় মনে করছেন শিক্ষার্থীরা। ২০২৬ সালের জুনে ইতালির তুরিনে হবে ‘সিআইজিআর ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস’। সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে এই পুরস্কার।