
তবে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির রাতে প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ উত্তেজিত প্রায় দুই হাজার মানুষকে দোকান থেকে বের করে দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির যে অফার ছিল, তার নিচে খুব ছোট করে লেখা ছিল ‘সি এ’ (কন্ডিশনস অ্যাপ্লাই)। সাধারণ মানুষ বিষয়টি বুঝতে না পেরে হুড়মুড় করে চলে আসে। পরে সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে তারা হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়। পুলিশ এসে সবাইকে বের করে তালা লাগিয়ে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং লোকজন ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়। সেখানে কোনো লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, তারা যেন বড় অক্ষরে শর্তাবলি লিখে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিষ্কার করে।
এর আগে বিকেল চারটার দিকে ‘লাইভ শপিংয়ের’ ফেসবুক পেজ থেকে ‘সাহায্য চেয়ে’ দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, তাদের ওই বিক্রয়কেন্দ্রে কিছু দল ইচ্ছা করে ঢুকে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। এরপর একাধিক লাইভ ভিডিওতে সেখানকার হট্টগোল প্রচার করা হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর দেওয়া আরেক পোস্টে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বলে জানানো হয়। এরপর এক লাইভ ভিডিওতে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আশিক খান বলেন, শুক্রবার বেলা তিনটায় তাঁদের ‘লাইভ শপিং ফ্যাক্টরি আউটলেটটি’ উদ্বোধনের কথা ছিল। এ উপলক্ষে তিন হাজার টাকার ফ্রি শপিংয়ের অফার দেওয়া হয়েছিল।