
ইলিজা সারদানোভিচের নাম স্টুডেন্ট লিস্টের প্রার্থী তালিকায় শুরুতে থাকলেও তিনি এ আন্দোলনের প্রধান নেতা নন। নির্বাচনে জয়ী হলে যে তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ হবেন, সেটাও নিশ্চিত নয়।
স্টুডেন্ট লিস্টের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে জানিয়ে ইলিজা সারদানোভিচ বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা নাগরিকদের সামনে সভ্য সমাজের মূল্যবোধগুলো তুলে ধরছি। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকদের এসব মূল্যবোধ থেকে দূরে রেখেছে।’
আলেকসান্দার ভুসিচ ও এসএনএস রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে বলে দাবি স্টুডেন্ট লিস্ট ও এর সমর্থকদের।
সার্বিয়ায় ২০২৩ সালে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে গণমাধ্যম বেশ পক্ষপাতিত্ব করেছিল এবং সরকারি পদ ও সম্পদ ব্যবহার করে ক্ষমতাসীনেরা একচ্ছত্র সুবিধা নিয়েছিল বলে জানান আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা।
বিবিসি এসএনএসের শীর্ষ নেতাদের কাছে সাক্ষাৎকারের জন্য অনুরোধ করেছিল। সাড়া পাওয়া যায়নি।
রাজধানী বেলগ্রেডের ঠিক কেন্দ্রস্থলে পার্লামেন্ট ভবন আর প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের মাঝামাঝি জায়গায় ছোট্ট একটি পার্কে প্রায় ১৮ মাস ধরে এসএনএসের সমর্থকেরা তাঁবু টানিয়ে সারাক্ষণ অবস্থান নিয়ে আছেন। অভিযোগ রয়েছে, সেখান থেকে একাধিকবার সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। পার্কটিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নিষিদ্ধ এলাকায় পরিণত করা হয়েছে।