
মালিকানা ও অর্থের উৎস নিয়ে তদন্তের পর আদালতের আদেশ
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে দেশটির ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) হাইকোর্ট থেকে ফ্ল্যাটটির ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ পেয়েছে।
আদালতে এনসিএ জানায়, ফ্ল্যাটটির সঙ্গে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি, প্রতারণা ও অর্থ পাচারের সন্দেহজনক সম্পর্ক রয়েছে। সংস্থাটির দাবি, ফ্ল্যাটটির প্রকৃত মালিক আনিসুজ্জামান ‘রনি’ চৌধুরী। তাঁর কোম্পানি যে অর্থ দিয়ে ফ্ল্যাটটি কিনেছে, সেই অর্থের উৎস তিনি ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
এনসিএর একজন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে লিখিত সাক্ষ্য দেন। তিনি বলেন, ফ্ল্যাটটির প্রকৃত মালিকানা আড়াল করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে জটিল মালিকানা কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্ল্যাটটির শেয়ার মাত্র এক পাউন্ডের বিনিময়ে তৃতীয় একটি পক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এনসিএর অভিযোগ, এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল আনিসুজ্জামান চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণ গোপন করা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেষ পর্যন্ত সম্পদটির মালিকানা তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ছিল।