
শুনতে অবাক লাগলেও, অভাবের সময় দান-সদকা করলে সম্পদ কমে না, বরং তাতে বরকত বাড়ে। বিপদের সময় নিজের কষ্ট সত্ত্বেও অন্য অভাবীকে সাহায্য করলে আল্লাহ খুশি হয়ে রিজিকের দরজা খুলে দেন।
আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং সদকাকে বৃদ্ধি করেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৭৬)
পাশাপাশি, আর্থিক সংকটে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা বা ইস্তিগফার পড়া উচিত। কোরআনে বলা হয়েছে, ইস্তিগফারের মাধ্যমে আল্লাহ ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততিতে বরকত দান করেন। (সুরা নুহ, আয়াত: ১০-১২)
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি একটি বৈশ্বিক ও কাঠামোগত সমস্যা হলেও ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা, পরিকল্পিত অর্থ ব্যবস্থাপনা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করার মাধ্যমে এই সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।
মুমিন বিশ্বাস করে, রিজিকের চূড়ান্ত ফয়সালাদাতা একমাত্র আল্লাহ, আর যেকোনো কঠিন পরিস্থিতির পরই আসে স্বস্তি।