
ফ্রান্স
ফ্রান্সে চলমান বিক্ষোভের সূত্রপাত গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্যারিসের দক্ষিণ-পূর্বে ক্রেতেই শহরের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে। শিক্ষকসংকট ও জরাজীর্ণ ভবনের প্রতিবাদে শিক্ষকেরা সেখানে আন্দোলন শুরু করেন। পরে শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন। ধীরে ধীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমস্যা ছাড়িয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও সরকারি সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে।
গত সপ্তাহান্তে বিক্ষোভের একাংশ সহিংস হয়ে ওঠে। বিভিন্ন শহরে দোকানপাটে লুটপাট, সরকারি ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। লিমোজ শহরের ঐতিহাসিক টাউন হল আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গত সপ্তাহান্ত থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৭৪ জনকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং ৯০০ জনের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।
বিক্ষোভের নতুন কর্মসূচি সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ গতকাল বলেছেন, অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্বীকৃত সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়নগুলোকে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বিক্ষোভের স্থান পরিবর্তন করা হতে পারে। লিওঁসহ কয়েকটি শহরে আগামীকাল শনিবারের বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।