
ব্যালটের দশম প্রশ্নটিই আসল, আলবার্টা কি কানাডার প্রদেশ হিসেবে থাকবে, নাকি প্রাদেশিক সরকার সংবিধান মেনে বিচ্ছিন্নতার প্রশ্নে একটি ‘বাধ্যতামূলক’ গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে?
৩০ অক্টোবর ১৯৯৫-এ ফরাসি ভাষাভাষী কুইবেকও প্রায় স্বাধীন হয়ে গিয়েছিল। গণভোটে ভোট পড়েছিল ৯৪ শতাংশ। কানাডার ইতিহাসের সর্বকালের সেরা রেকর্ড। আলাদা হবার বিপক্ষে ‘না’ ভোট জেতে মাত্র ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ ভোটে। ‘হ্যাঁ’ হারে ৪৯ দশমিক ৪২ শতাংশ ভোটে। ব্যবধান মাত্র ৫৪ হাজার। একটি বড় স্টেডিয়ামের দর্শকসংখ্যার সমান ভোটারগোষ্ঠী প্রদেশটির আলাদা হওয়া ঠেকিয়ে দিয়েছিল। সেই রাতেই প্রিমিয়ার জাক পারিজো পরাজয়ের দায় চাপালেন অভিবাসী ভোটারদের ওপর।
কানাডার অভিবাসীদের স্মৃতিতে বাক্যটি আজও কাঁটার মতো বিঁধে আছে। একজন অভিবাসী নাগরিকের ভোটকে ‘সমস্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করা ডায়াস্পোরা সমাজ পছন্দ করেনি। তবে ঘটনাটি অভিবাসনবিরোধী রাজনীতি বাড়ায়নি।
গণতন্ত্র সত্যিকার গণতন্ত্র হলে কতটা উপভোগ্য, আলবার্টাই তার প্রমাণ। প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ আলবার্টাকে স্বাধীন করতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন, গণভোট ডেকেছিলেন। ভোট শেষে নিজেই আবার অখণ্ড কানাডার ঘোষণা দিয়েছেন। গণরায়কে সম্মান জানিয়েছেন।