• সোম. অক্টো. 19th, 2026

আটালের সেঞ্চুরির পর রাশিদের ছোবলে আফগানদের বড় জয়

Bytrendnews

অক্টো. 19, 2026


অল্পের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারলেন না ইব্রাহিম জাদরান। তবে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া ঠিকই পেলেন সেদিকউল্লাহ আটাল। পরে বল হাতে দ্যুতি ছড়ালেন রাশিদ খান। জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ শুরু করল আফগানিস্তান।

আবু ধাবিতে সোমবার জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে হারিয়েছে আফগানরা। ২৯৪ রানের পুঁজি গড়ে প্রতিপক্ষকে ১৩৬ রানে গুটিয়ে দিয়েছে তারা।

প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচে আগামী বুধবার আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ফাইনালে উঠতে ম্যাচটি জিততেই হবে শান্ত-হৃদয়দের, সেই সঙ্গে মেলাতে হবে রান রেটের সমীকরণও।

আফগানিস্তানকে প্রায় তিনশ রানের সংগ্রহ এনে দেওয়ার পথে একটি ছক্কা ও আটটি চারে ১০২ রান করেন আটাল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগের ইনিংসেও সেঞ্চুরির স্বাদ পান তিনি; বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১১ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

ওয়ানডেতে এটি আটালের তৃতীয় সেঞ্চুরি। এই সংস্করণে আগের দুই ইনিংসে তার রান ছিল ৯৮ ও ১৪৩।

দুটি ছক্কা ও নয়টি চারে ৯০ রান করেন ইব্রাহিম। আটালের সঙ্গে তার দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ১৪০ রান। আফগানিস্তানের আর কেউ ৩০ রানও করতে পারেননি।

জিম্বাবুয়েকে দেড়শর আগে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কারিগর রাশিদ। স্রেফ ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তারকা এই লেগ স্পিনার। দুটি প্রাপ্তি পেসার ফাজালহাক ফারুকির।

জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আগ্রাসী শুরু করেন রাহমানউল্লাহ গুরবাজ। একটি ছক্কা ও তিনটি চারে ২৫ রান করা ওপেনারকে বোল্ড করে ৫০ রানের শুরুর জুটি ভাঙেন আর্নেস্ট মাসুকু।

এরপর দলের রান বাড়ান ইব্রাহিম ও আটাল। ৪৭ বলে ফিফটি করেন ইব্রাহিম। শুরুতে কিছুটা মন্থর ছিলেন আটাল। প্রথম ২২ বলে তার রান ছিল ৮। পরে রানের গতিতে দম দিয়ে ৫৯ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন তিনি।

সেঞ্চুরির কাছে এসে ব্র্যাড ইভান্সকে পুল করে ক্যাচ দেন ইব্রাহিম। মাসুকুর পরপর দুই ওভারে বিদায় নেন রেহমাত শাহ ও আজমাতউল্লাহ ওমারজাই।

১০৯ বলে সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পরের বলে ক্যাচ আউট হন আটাল। এরপর একের পর এক উইকেট হারিয়ে তিনশর আগে শেষ হয়ে যায় আফগানদের ইনিংস।

রান তাড়ায় কখনোই জয়ের সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ৪৩ রানে চার উইকেট হারায় তারা। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি।

হাল ধরার চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্ল। ৩১ রান করা বার্লকে এলবিডব্লিউ করে ৬৪ রানের জুটি ভাঙেন রাশিদ।

একটি ছক্কা ও তিনটি চারে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৪৮ রান করা রাজার স্টাম্প ভেঙে দেন রাশিদ। এরপর আর বেশিদূর যেতে পারেনি দলটি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

আফগানিস্তান: ৫০ ওভারে ২৯৪ (গুরবাজ ২৫, ইব্রাহিম ৯০, আটাল ১০২, রেহমাত ৭, ওমারজাই ৮, শাহিদি ২৮, নাবি ৯, রাশিদ ৮, গাজানফার ৬, জিয়াউর ১*, ফারুকি ০; মুজারাবানি ৯-০-৬৮-২, ইভান্স ১০-০-৪৬-৩, মাসুকু ৮-০-৪৪-৩, রাজা ১০-০-৫৪-১, মাসাকাদজা ৪-০-৩০-০, বার্ল ৪-০-২৫-০, মাধেভেরে৫-০-২০-০)

জিম্বাবুয়ে: ৩৮.৪ ওভারে ১৩৬ (বেনেট ৩১, কারান ০, সিগা ২, টেইলর ১, রাজা ৪৮, বার্ল ৩১, মাধেভেরে ৫, ইভান্স ১৪, মাসাকাদজা ২, মাসুকু ০, মুজারাবানি ০*; ফারুকি ৫-১-১৫-২, ওমারজাই ৫-০-১৮-০, গাজানফার ৭-০-২১-১, জিয়াউর ৬-০-২৮-০, রাশিদ ৮-১-১৭-৪, নাবি ৭.৪-০-৩৭-১)

ফল: আফগানিস্তান ১৫৮ রানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: সেদিকউল্লাহ আটাল



Source link

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।