
বাংলাদেশের সরকারি কলেজে শিক্ষকতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণার অভিজ্ঞতা থেকে আল আমীন মনে করেন, দুই জায়গারই নিজস্ব শক্তি আছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণার অবকাঠামো, অর্থায়ন, ল্যাব সুবিধা এবং বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ তুলনামূলক বেশি।
বাংলাদেশের গণিত শিক্ষায় পরিবর্তন আনতে স্নাতক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণায় যুক্ত করা, গণিতের সঙ্গে কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
পিএইচডি শেষে গবেষণাকে আরও গভীর পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপের সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখার ইচ্ছা তাঁর।
ছোটদের উদ্দেশে আল আমীনের বার্তা, ‘নিজের শুরুকে কখনো ছোট করে দেখবেন না। আপনি কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ছেন, কোন অঞ্চল থেকে এসেছেন অথবা প্রথমবার কোথায় সুযোগ পাননি, এগুলোর কোনোটিই আপনার শেষ পরিচয় নয়।’
একসময় অন্যের গল্প পড়ে সাহস পেয়েছেন। এখন চান তাঁর গল্প পড়ে মফস্সলের কোনো শিক্ষার্থীও নিজের ওপর আস্থা রাখুক। আল আমীন বলেন, ‘আজ যদি আমার গল্প পড়ে মফস্সলের কোনো একজন শিক্ষার্থী নিজের মনে একবার বলে, “আমিও পারব”, তাহলে সেটিই আমার জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’