
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ অধিবেশনের কিছু অংশে উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই দেন। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে পিটিআই-নেতৃত্বাধীন খাইবার পাখতুনখাওয়া সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে বলেও তাঁরা সমালোচনা করেন।
এদিন পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি বলেন, পিটিআই খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করতে কেন্দ্র সরকারকে বাধ্য করেছে। সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তিনি পিটিআইকে দায়ী করেন। তিনি এটিকে দলটির জন্য একটি ‘রাজনৈতিক আত্মঘাতী হামলা’ বলে অভিহিত করেন।
পিটিআই চেয়ারম্যানের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান (এনএপি) বাস্তবায়নের দাবি
একইভাবে, তিনি পিটিআইয়ের আটক এমএনএ ও এমপিএদের কথাও উল্লেখ করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে, সেই প্রশ্নও তিনি তোলেন।
শাহবাজ সরকার সংবিধানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেয়। এর ফলে সেখানে পিটিআই পরিচালিত প্রাদেশিক সরকারের সব কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে গেছে।